সরকার দল, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের কল্যাণে কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী

লেখক: Biplob Khan
প্রকাশ: ৪ ঘন্টা আগে


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দল, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমুখী, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে দেশের বৈচিত্র্যময় সমাজ ও জীবনধারা সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হবে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বাংলাদেশ ও সারা বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মের অনুসারীদের শুভেচ্ছা জানান।

বাণীতে তারেক রহমান বলেন, হিন্দু ধর্ম মতে দেবী দুর্গা পৃথিবীর মঙ্গল কামনায় স্বর্গ থেকে পৃথিবীতে অবতরণ করেন। তিনি তার ভক্তদের কল্যাণের জন্য কাজ করেন, শত্রুদের ধ্বংস করেন এবং সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের পূজার মাধ্যমে শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্য এক অনন্য মাত্রা পেয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ তাদের নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে উদযাপন করে। ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের এই প্রথা বাংলাদেশের কালজয়ী ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক সৌন্দর্যকে মূর্ত করে।

তিনি আরো বলেন, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশি হিসেবে বিভিন্ন ধর্ম, উপজাতি ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব প্রকাশ পায়।

সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার সকল ধর্মের মূল নীতি উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, মানবতার কল্যাণ সকল ধর্মের অন্যতম প্রধান শিক্ষা। তাই, নিজের ধর্মীয় রীতিনীতি ও সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি, অন্যদের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান এবং সহানুভূতি বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে সমাজে শান্তির পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টদের পতনের পর বাংলাদেশ আবারো গণতন্ত্রের পথে যাত্রা করেছে। একই সঙ্গে শুরু হয়েছে জাতীয় পুনর্গঠনের ব্যাপক উদ্যোগ।

তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, দল, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমুখী, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার।

দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের বৈচিত্র্যময় সমাজ ও জীবনধারা সমৃদ্ধি ও সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হোক। ধর্ম ব্যক্তিগত, রাষ্ট্র সকলের; ধর্ম ব্যক্তিগত, কিন্তু নিরাপত্তার অধিকার সবার।’

হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সারা দেশে উৎসাহ, মানসিক প্রশান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে আপনাদের উৎসব উদযাপন করুন।’



Source link