দেশের ৮টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১২ কোটি ৩০ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ১২২ টাকা ৩০ পয়সা দরেই ডলার কেনা হয়েছে।
চলতি অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট ৫৩৮ কোটি ডলার বা ৫.৩৮ বিলিয়ন ডলার ক্রয় করেছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ বেড়ে ৩৪.৭৭ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০.০৬ বিলিয়ন ডলারে।
দেশের ইতিহাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছিল ২০২১ সালের আগস্টে। এরপর ধারাবাহিকভাবে কমে রিজার্ভ নেমে আসে ২০.৪৮ বিলিয়ন ডলারে।
খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, রেমিট্যান্স ও ডলার ক্রয়ের ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি মাসের প্রথম ২১ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩০ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০.৬০% বেশি।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩১৭ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৫.১০% বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের গত জুলাই থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রবাসী আয় এসেছে ২,১৭৪ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১.৬০% বৃদ্ধি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, বাজারে ডলারের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি। ডলারের দাম যাতে অস্বাভাবিকভাবে কমে না যায়, সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনে বাজারে ভারসাম্য বজায় রাখছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার রিজার্ভ কেনার ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে।