ছবি সংগৃহীত
রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থাকায় দেশটি থেকে জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের অনুমতি প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাশিয়ার ওপর যেহেতু নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তাই স্বাভাবিকভাবেই যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতির বিষয়টি সামনে আসে। এ বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা চলছে, পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয় কোনো সহায়তা চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে।
দেশে বর্তমানে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, মজুত আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কিছু উৎস থেকে তেল আমদানিতে বাধা তৈরি হওয়ায় বিকল্প উৎস খোঁজা হচ্ছে।
শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, দেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে সবাইকে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী এপ্রিল মাসে ভারত ও সৌদি আরব থেকে জ্বালানি তেল আসবে। এছাড়া মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকেও তেল আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে বিভিন্ন দেশ থেকে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মতো বন্ধু রাষ্ট্রসহ যেখান থেকেই সুযোগ পাওয়া যাবে, সেখান থেকেই তেল আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।