মার্চে জ্বালানি সংকট হবে না, আসছে ২.৮০ লাখ টন ডিজেল; পেট্রোল-অকটেনও পর্যাপ্ত

লেখক:
প্রকাশ: ৪ minutes ago

চলতি মার্চ মাসে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। চাহিদা মেটাতে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এর একটি অংশ ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছাতে শুরু করেছে, বাকি চালান সমুদ্রে জাহাজে বা জাহাজীকরণের অপেক্ষায় রয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, দেশে প্রতি মাসে প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেলের চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে বিপিসির মজুদে এক লাখ টনের বেশি ডিজেল রয়েছে। এর সঙ্গে নতুন করে ২.৮০ লাখ টন ডিজেল আমদানি যুক্ত হওয়ায় মার্চ মাসে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অপারেশন উইংয়ের প্রধান ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, আমদানিকৃত ডিজেলের একটি অংশ ইতোমধ্যে দেশে আসতে শুরু করেছে। কিছু জাহাজ সমুদ্রে রয়েছে এবং কিছু চালান জাহাজীকরণের পর্যায়ে আছে। ফলে মার্চে ডিজেল সংকট হওয়ার কোনো কারণ নেই।

তিনি আরও জানান, এর বাইরে আরও চারটি উৎস থেকে প্রায় ১ লাখ টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়াও প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে সরবরাহকারীদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট বিনিময় চলছে।

অন্যদিকে দেশে পেট্রোল ও অকটেন আমদানি করতে হয় না। দেশের নিজস্ব উৎপাদন থেকেই এই দুই ধরনের জ্বালানির অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। তাই পেট্রোল ও অকটেন নিয়েও কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

তবে বাজারে কিছু জায়গায় পেট্রোল পাম্পে ভিড়ের বিষয়ে জ্বালানি বিভাগ বলছে, আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত জ্বালানি কেনার প্রবণতা থেকেই সাময়িক চাপ তৈরি হচ্ছে। অযথা প্যানিক বায়িং বন্ধ হলে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, সিঙ্গাপুর থেকে দুই কার্গো এলএনজি আমদানি নিশ্চিত হওয়ায় আপাতত গ্যাস সংকটেরও আশঙ্কা নেই। পাশাপাশি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য প্রায় ৫০ দিনের ফার্নেস অয়েলের মজুদ থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদনেও কোনো ধরনের সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

  • এলএনজি আমদানি
  • গ্যাস সংকট
  • জ্বালানি তেল
  • ডিজেল আমদানি
  • পেট্রোল অকটেন
  • বাংলাদেশ জ্বালানি
  • বিদ্যুৎ উৎপাদন
  • বিপিসি